🌱 Soul Wellness

লোড হচ্ছে...

🔒 সোল ওয়েলনেস

চালু রাখতে পিন দিন

Soul Wellness Breathe · Believe · Blossom
শুভ সকাল

আজ নিজের সাথে একটু সময় কাটান

এই মুহূর্তে অনুভূতি কেমন?

আজকের কাজ

🕊️ হঠাৎ খারাপ লাগছে?

চেক-ইন ইতিহাস

সারসংক্ষেপ

অগ্রগতির স্ন্যাপশট — সেশনে নিয়ে যান বা প্রিন্ট করুন

প্রোফাইল

মুড ও ধারাবাহিকতা

৬ মাসের কর্মপুস্তক

দৈনিক অ্যাঙ্কর

জরুরি ব্যবহার

প্রোফাইল ও সেটিংস

ব্যক্তিগত তথ্য

দৈনিক রিপোর্ট কাকে পাঠাবেন

আজকের কাজ থেকে "পাঠান" চাপলে WhatsApp বা ইমেইল খুলে যাবে, বার্তাটি আগে থেকেই লেখা থাকবে — শুধু পাঠাতে হবে। একাধিক জন রাখতে চাইলে কমা দিয়ে আলাদা করুন।

দেখার সুবিধা

অ্যাপ লক (পিন)

এটি একটি সাধারণ স্ক্রিন-লক — সত্যিকারের এনক্রিপশন নয়, কিন্তু কেউ ফোন হাতে নিলে সঙ্গে সঙ্গে তথ্য দেখতে পাবে না। মনে রাখার মতো একটি ৪-৮ সংখ্যার পিন দিন।

তথ্য কোথায় থাকে: প্রতিটি এন্ট্রি প্রথমে এই ফোনে সংরক্ষিত হয় (তাই সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায়, ইন্টারনেট ছাড়াও কাজ করে), তারপর পেছন থেকে Supabase-এ (ক্লাউডে, তাঁর লগইনের সঙ্গে যুক্ত, নিরাপদ) সিঙ্ক হয়ে যায়। তাই ফোন হারালেও অন্য ডিভাইসে একই ইমেইল দিয়ে লগইন করলে সব তথ্য ফিরে পাওয়া যাবে।

কঠিন মুহূর্তের গাইডলাইন

শরীর খারাপ লাগলে, ভয় এলে, মন ভেঙে পড়লে — ঠিক কী করব

আপনার চক্রটি

আপনার সমস্যাটা এলোমেলো নয় — এর একটা নির্দিষ্ট ধারা আছে। ধারা জানা থাকলে যেকোনো জায়গায় তাকে থামানো যায়।

শরীর দুর্বল বা খারাপ লাগা→ "আমি আর পারব না"→ অ্যাংজাইটি→ প্যানিক বা তীব্র ভয়→ ডিপ্রেসড মুড

শুরুটা প্যানিক দিয়ে হয় না — শুরু হয় শরীর খারাপ লাগা দিয়ে। তারপর একটা ব্রিজ-চিন্তা আসে যা পুরো চেইনটা চালু করে দেয়।

চেইনটা যত আগে ভাঙা যায়, তত সহজে ভাঙে। এই কারণেই নিচে তিনটি আলাদা পরিকল্পনা — কোন জায়গায় আছেন, সেই অনুযায়ী একটি বেছে নিন। কোনোটার উদ্দেশ্যই "খারাপ লাগা সঙ্গে সঙ্গে সরিয়ে ফেলা" নয় — উদ্দেশ্য খারাপ লাগাটা নিয়েই সময়টা পার করা।

কোন পরিকল্পনা কখন

কখন ব্যবহার করবেনউদ্দেশ্য
কশরীর দুর্বল/খারাপ লাগছে, এখনো ভয় ধরেনিচেইনটা শুরুতেই থামানো
খভয় ধরে গেছে, বুক ধড়ফড় অস্থির লাগছেঢেউটা পার করে দেওয়া
গঝড় শেষ, এখন মনমরা — কিছু করতে ইচ্ছা করছে নাডিপ্রেসড মুড থেকে বের হওয়া

ভয়ের সময় শব্দ করে পড়ার কার্ড

এই পাতাটির ছবি তুলে ফোনে রাখুন। ভয়ের মুহূর্তে ভাবার ক্ষমতা কমে যায় — তখন শুধু পড়বেন।

  • "এটা প্যানিক। এটা অস্বস্তিকর, কিন্তু বিপজ্জনক নয়।"
  • "এটা এসেছে, এটা যাবেও। আজ পর্যন্ত প্রতিবারই গেছে — একবারও ব্যতিক্রম হয়নি।"
  • "আমার শরীর ভাঙছে না। শরীর শুধু অ্যাড্রেনালিন ছেড়েছে। কয়েক মিনিটেই সেটা শেষ হয়ে যাবে।"
  • "আমি এখন কিছু ঠিক করার চেষ্টা করব না। আমি শুধু এই কয়েকটা মিনিট পার করব।"
  • "খারাপ লাগছে — এটা সত্যি। আর একই সঙ্গে আমি নিরাপদ আছি — এটাও সত্যি।"
  • "আমি আগেও এর ভেতর দিয়ে গিয়েছি এবং প্রতিবার ফিরে এসেছি। এবারও আসব।"
  • "আমার কাজ এখন নিখুঁত থাকা নয়, শুধু টিকে থাকা।"

"এটাকে এত ভয় পাই, তবু কেন বারবার ফিরে আসে?"

ফিরে আসে ঠিক এই কারণেই যে আপনি এটাকে এত ভয় পান। মন যাকে বিপদ হিসেবে চিহ্নিত করে, তার দিকে সে সারাক্ষণ নজর রাখে — যত নজর, তত বেশি ছোটখাটো অনুভূতি চোখে পড়ে, যত চোখে পড়ে তত ভয়, যত ভয় তত অ্যাড্রেনালিন। এটি আপনার ইচ্ছার দোষ নয় — এটি মনোযোগের নিয়ম। আমাদের কাজ প্যানিককে জোর করে তাড়ানো নয়, ধীরে ধীরে একে কম গুরুত্বপূর্ণ বানিয়ে দেওয়া।

"বাবা-মায়ের বাসায় যেতে পারছি না"

মার্চে ওই বাসায় অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন, তাই মন জায়গাটার সঙ্গে খারাপ লাগা জুড়ে ফেলেছে — কিন্তু জায়গাটা কারণ ছিল না, আয়রনের ঘাটতি কারণ ছিল। ওই বাসায় শৈশব কেটেছে, আর সেখানে সুস্থও হয়েছেন। যা করবেন: একবারে রাত কাটাতে যাবেন না — প্রথমে দিনের বেলা দুই ঘণ্টা স্বামীর সঙ্গে, পরে আধা দিন, তারপর সারাদিন, তারপর এক রাত। প্রতিবার অস্বস্তি লাগবে — সেটাই স্বাভাবিক, সেটাই অনুশীলন।

জরুরি যোগাযোগ

কান পেতে রই
মানসিক সহায়তা হেল্পলাইন
০৯৬১২-১১৯৯১১
জাতীয় জরুরি সেবা
সার্বক্ষণিক
৯৯৯

হাসপাতালে যেতে হবে যদি

বুকে চাপ ধরা ব্যথা যা হাত বা চোয়ালে ছড়ায়, অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা, বিশ্রামেও শ্বাসকষ্ট না কমা, অথবা অনুভূতিটা আগের যেকোনো বারের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা মনে হওয়া। এগুলো প্যানিকের সাধারণ ছবি নয় — দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যাবেন।

"আল্লাহ কোনো ব্যক্তিকে তার সাধ্যের বাইরে কোনো বোঝা চাপিয়ে দেন না।" — আল-কুরআন, সূরা আল-বাকারা ২:২৮৬ (অর্থানুবাদ)
সাধ্যের মধ্যে থাকা মানে একা বওয়া নয়। সাহায্য চাওয়াটাও সেই সাধ্যেরই অংশ।

ঝড় পার হওয়ার পর — লগ

প্রতিটি কঠিন সময়ের পর এই ছকটি পূরণ করুন — এটি প্রমাণ জমা করে যে আপনি পার করতে পেরেছেন।

"আজ আবার পার করলাম। এটাই প্রমাণ — আমার কাছে এটা পার করার ক্ষমতা আছে।"

এই সপ্তাহে যা বলতে চাই সেশনে

শেষ কথা

সাবরিন, আজ আপনি একটা খুব কঠিন সময় পার করেছেন — এবং পার করেছেন। ভয় যতই বলুক "তুমি পারছ না", প্রতিটি পার-করা মুহূর্ত তার উল্টোটাই প্রমাণ করে।

এই গাইডলাইনের কোনো পরিকল্পনাই খারাপ লাগা সঙ্গে সঙ্গে মুছে দেওয়ার জন্য নয়। এগুলো শুধু এইটুকু নিশ্চিত করার জন্য যে কঠিন সময়ে আপনার হাতে একটা পথ থাকবে — ফাঁকা মাঠে একা দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না।

— মহি উদ্দিন আহমেদ
কনসালট্যান্ট সাইকোলজিস্ট, সোল ওয়েলনেস

৬ মাসের কর্মপুস্তক

প্যানিক ও উদ্বেগ থেকে ধাপে ধাপে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথনকশা

কেস তথ্য

সাফল্যের মাপকাঠি — ৭ দিনের মধ্যে ৫ দিন। প্রতিদিন নিখুঁতভাবে করার লক্ষ্য রাখবেন না। পরের মাসে যাওয়ার আগে জিজ্ঞেস করুন — এই মাসের অনুশীলন কি অন্তত তিন সপ্তাহ নিয়মিত করেছি? উত্তর না হলে আরও এক-দুই সপ্তাহ একই জায়গায় থাকুন।

মাইন্ডফুলনেস ও গ্রাউন্ডিং

মাইন্ডফুলনেস মানে মন ফাঁকা করা নয় — এই মুহূর্তে যা ঘটছে তা বিচার না করে লক্ষ করা।

দৈনিক অনুশীলন

নামসময়কীভাবে
পেটের শ্বাস৫ মিনিট৪ নিয়ে, ২ থেমে, ৬ ছেড়ে
বডি স্ক্যান১০ মিনিটপায়ের পাতা থেকে মাথা পর্যন্ত ধীরে মনোযোগ ঘোরানো; টান পেলে সেখানে শ্বাস পাঠানোর কল্পনা
শব্দ শোনা৩ মিনিটচোখ বন্ধ করে দূরের ও কাছের শব্দ আলাদা করে শোনা
মাইন্ডফুল কাজ—থালা ধোয়া, গাছে পানি দেওয়া বা চা খাওয়ার সময় পাঁচ ইন্দ্রিয় দিয়ে পুরো মনোযোগ
কৃতজ্ঞতার তিনটি২ মিনিটরাতে ঘুমানোর আগে আজকের তিনটি ভালো জিনিস লেখা

তাৎক্ষণিক গ্রাউন্ডিং — যখন ভয় বাড়ে

কৌশলকীভাবে
৫-৪-৩-২-১৫ দেখা, ৪ ছোঁয়া, ৩ শোনা, ২ ঘ্রাণ, ১ স্বাদ
ঠান্ডা পানিহাত-মুখ ধোয়া বা কবজিতে ঠান্ডা পানি — মনোযোগ শরীরে ফেরে
পায়ের নিচে মাটিপায়ের পাতা মেঝেতে চেপে ধরে মেঝের স্পর্শ অনুভব করা
নাম গোনাঘরের সব নীল জিনিস, বা উল্টো দিকে ১০০ থেকে ৭ বাদ দিয়ে গোনা
পেশি শিথিলকরণহাতের মুঠো ৫ সেকেন্ড শক্ত করে ছেড়ে দেওয়া, একে একে সব পেশিতে
শান্ত জিকিরধীরে, মনোযোগ দিয়ে অল্প কিছু জিকির — গোনার জন্য নয়, প্রশান্তির জন্য

সাপ্তাহিক মাইন্ডফুলনেস লগ

৬ মাসের অগ্রগতি ট্র্যাকার

প্রতি সপ্তাহ শেষে ভরুন। কয়েক মাস পর পেছনে তাকালে নিজের পরিবর্তন স্পষ্ট দেখতে পাবেন।

সাপ্তাহিক ট্র্যাকার (২৪ সপ্তাহ)

মাসিক আত্ম-মূল্যায়ন (০-১০)

প্রতি মাসের শেষে দুটি প্রশ্ন

নিরাপত্তা পরিকল্পনা

এই পাতাটি সবার জন্যই থাকে — এটি প্রস্তুত থাকার একটি বুদ্ধিমানের কাজ।

জরুরি

যদি কখনো মনে হয় সব শেষ হয়ে যাচ্ছে, বা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা মাথায় আসে — সেটি একা বয়ে বেড়াবেন না। এমন চিন্তা আসা মানে আপনি ভেঙে পড়েছেন তা নয়; মানে আপনি অনেকদিন ধরে অনেক বেশি বোঝা বইছেন এবং এখনই সাহায্য দরকার। সঙ্গে সঙ্গে নিচের যেকোনো একজনকে জানান — অপেক্ষা করবেন না।

যাদের জানাব (নম্বর সংরক্ষণ করুন)

মানসিক সহায়তার হেল্পলাইন

কান পেতে রই
মানসিক সহায়তা হেল্পলাইন
০৯৬১২-১১৯৯১১
জাতীয় জরুরি সেবা
সার্বক্ষণিক
৯৯৯

হেল্পলাইনের সময়সূচি পরিবর্তন হতে পারে — একবার না পেলে অন্য নম্বরে চেষ্টা করুন বা সরাসরি পরিবারের কাউকে জানান।

যে চারটি কাজ কঠিন সময়ে করব

  • একা থাকব না — পাশের ঘরে হলেও কারও কাছে যাব
  • নিজেকে বলব: "এই অনুভূতিটি সত্যি, কিন্তু এটি স্থায়ী নয়। এটি বদলাবে।"
  • ফার্স্ট-এইড কার্ডটি বের করে পড়ব
  • পরের দিনের জন্য একটি ছোট কাজ ঠিক করে রাখব — যত ছোটই হোক
"আল্লাহ কোনো ব্যক্তিকে তার সাধ্যের বাইরে কোনো বোঝা চাপিয়ে দেন না।" — আল-কুরআন, সূরা আল-বাকারা ২:২৮৬ (অর্থানুবাদ)

আপনি যা বইছেন, তা আপনার সাধ্যের মধ্যেই — তবে সাধ্যের মধ্যে থাকা মানে একা বওয়া নয়। সাহায্য চাওয়াও সেই সাধ্যেরই অংশ।

আমার ব্যক্তিগত ফার্স্ট-এইড কার্ড

এই পাতাটি পূরণ করে স্ক্রিনশট তুলে ফোনে রাখুন। খারাপ লাগার সময় পড়ার জন্য।

যখন ভয়ের ঢেউ আসবে, আমি এই ৫টি কাজ করব:
  • নিজেকে বলব: "এটি প্যানিক, বিপদ নয়। এটি আসবে এবং যাবে।"
  • পালানোর চেষ্টা করব না — যেখানে আছি, সেখানেই থাকব
  • শ্বাস ছাড়াটি লম্বা করব: ৪ নিয়ে, ৬ ছেড়ে
  • ৫-৪-৩-২-১ গ্রাউন্ডিং করব
  • ঢেউটি নেমে যেতে দেব, তারপর যা করছিলাম তা-ই আবার শুরু করব
যে তিনটি বাক্য আমাকে সবচেয়ে সাহায্য করে
যে প্রমাণগুলো ভুলব না

ছয় মাস শেষে — নিজের নামে চিঠি

ছয় মাস আগের নিজেকে একটি চিঠি লিখুন। কী পেরেছেন, কী শিখেছেন, ভবিষ্যতের নিজেকে কী মনে করিয়ে দিতে চান।

সেশন নোট ও প্রশ্নের পাতা

সেশনের মাঝখানে যা মনে আসে, এখানে লিখে রাখুন — পরের সেশনে আলোচনা করবেন।

আমার প্রশ্ন

সেশন নোট

শেষ কথা

সাবরিন, আপনি এই ছয় মাসে একটি অসুখ সারাচ্ছেন না — আপনি নিজের জীবনটা ফিরিয়ে নিচ্ছেন। গাছের যত্ন, ঘর গোছানো, এক কাপ চা, রাতের নিশ্চিন্ত ঘুম, দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া — এগুলো ছোট জিনিস নয়, এগুলোই জীবন। ভয় আপনার কাছ থেকে এগুলো ধার নিয়েছিল; আমরা একটা একটা করে ফেরত আনব।

পথে ওঠানামা হবে। খারাপ সপ্তাহ আসবে। সেদিনগুলোতে মনে রাখবেন — খারাপ লাগা মানে পিছিয়ে যাওয়া নয়। শুধু পরদিন আবার শুরু করুন। আর যেকোনো প্রয়োজনে আমি আছি।

— মহি উদ্দিন আহমেদ
কনসালট্যান্ট সাইকোলজিস্ট, সোল ওয়েলনেস

অ্যাংকর বুক

যখন মন টলে যায় — দিনের চারটি নোঙর ধরে ফেরার পথ

এই বইটি কী, আর কেন

যখন মন কোনো কাজে লেগে থাকে, তখন আপনি ভালো থাকেন। মন খালি থাকলে সে নিজেই একটা কাজ খুঁজে নেয় — শরীর পরীক্ষা করা ও ভয় খোঁজা। তাই খালি সময়গুলোকে শূন্যতা দিয়ে নয়, এমন কিছু দিয়ে ভরে দিতে হবে যা ভালো লাগে বা যা শেষ করলে নিজেকে সক্ষম মনে হয়।

চারটি একসঙ্গে শুরু করবেন না। প্রথম সপ্তাহে নোঙর ১ ও ৩, দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে নোঙর ২, তৃতীয় সপ্তাহ থেকে নোঙর ৪ যোগ করুন। ধীরে গেলে টেকে।

নোঙর কার্ড — যখন হঠাৎ টলে যাবেন

এই পাতাটির ছবি তুলে ফোনে রাখুন। খারাপ লাগার মুহূর্তে ভাবার ক্ষমতা কমে যায় — তখন পড়ার জন্য।

এখনই এই পাঁচটি

  • যেখানে আছি সেখানেই থাকব — পালাব না, শুয়েও পড়ব না
  • শ্বাস: ৪ গুনে নেব, ৬ গুনে ছাড়ব। পাঁচবার।
  • ৫-৪-৩-২-১: পাঁচটা দেখা, চারটা ছোঁয়া, তিনটা শোনা, দুটো ঘ্রাণ, একটা স্বাদ
  • হাতে কিছু একটা নেব — পানির গ্লাস, গাছের পাতা, কাপড়
  • যা করছিলাম, ঢেউ নামার পর সেটাই আবার শুরু করব

যে কথাগুলো নিজেকে বলব

  • "এটা অস্বস্তি, বিপদ নয়।"
  • "এটা এসেছে, এটা যাবেও। প্রতিবারই গেছে।"
  • "আমি জানতে চাইছি না কী হবে — আমি শুধু এখনকার মুহূর্তটা পার করব।"
  • "আমার শরীর আমার শত্রু নয়, সে শুধু একটু বেশি সতর্ক।"

যা করব না

  • নাড়ি দেখব না, বুকে হাত দিয়ে পরীক্ষা করব না
  • উপসর্গ ইন্টারনেটে খুঁজব না
  • "আমার কিছু হয়নি তো?" — এই প্রশ্ন কাউকে করব না
  • হাতের কাজ ফেলে শুয়ে পড়ব না

যদি কখনো মনে হয় কিছুতেই সামলাতে পারছেন না, বা মনের অবস্থা অনেক বেশি খারাপ লাগছে — একা বসে থাকবেন না। স্বামীকে, বাবা-মাকে, বা থেরাপিস্টকে জানান। সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়; এটিও চিকিৎসার একটি ধাপ।

সাপ্তাহিক ট্র্যাকার

প্রতি সপ্তাহ শেষে ভরুন। পরের সেশনে এই পাতাটি সঙ্গে আনবেন।

এই সপ্তাহে যা ভালো হয়েছে

পরের সেশনে যা বলতে চাই

শেষ কথা

সাবরিন, লক্ষ করুন — আপনার দিনের সবচেয়ে ভালো সময়টা হলো যখন আপনি কাজে ব্যস্ত থাকেন। এর মানে আপনার ভেতরে সেই সক্ষম, দক্ষ, কর্মঠ মানুষটি পুরোপুরি টিকে আছেন। তিনি হারিয়ে যাননি। শুধু দিনের দুটি প্রান্ত — সকাল আর রাত — এখনো ভয়ের দখলে আছে। এই বইয়ের কাজ ওই দুটি প্রান্ত ফিরিয়ে আনা।

প্রতিদিন নিখুঁতভাবে করতে হবে না। সপ্তাহে পাঁচ দিন পারলেই যথেষ্ট। বাকি দুই দিন বাদ পড়াও পরিকল্পনারই অংশ।

— মহি উদ্দিন আহমেদ
কনসালট্যান্ট সাইকোলজিস্ট, সোল ওয়েলনেস